স্কুলের বন্ধুদের নিয়ে মজার এবং হাস্যকর স্ট্যাটাস অনেক স্মৃতি জাগিয়ে তোলে। নিচে কিছু ফানি এবং মজাদার স্ট্যাটাস দেওয়া হলো, যেগুলো স্কুল জীবনের বন্ধুদের নিয়ে মজা করার জন্য উপযুক্ত:
স্কুল বন্ধুদের নিয়ে ফানি স্ট্যাটাস
“স্কুলের বন্ধু মানে পরীক্ষার আগের রাতে পড়া শেয়ার করার নামে বিভ্রান্তি ছড়ানো বিশেষজ্ঞ!”
“স্কুলের দিনগুলোতে বন্ধুরা যে দুষ্টুমি করতো, তা দেখে মনে হতো, শিক্ষকরা বেঁচে আছেন কেবল আমাদের শাস্তি দেওয়ার জন্য!”
“স্কুলের সেই বন্ধুদের মনে পড়ে, যারা এক কথায় বলত, ‘ভয় নেই, আমি লিখে দিচ্ছি,’ আর পরে নিজেই পরীক্ষায় খাতা সাদা রেখে আসত!”
“স্কুলের বন্ধুরা কখনো সৎ থাকতে পারেনি। তারা শুধু দুষ্টুমি আর টিফিন খাওয়া ভাগাভাগিতে পাকা ছিল।”
“স্কুলের দিনগুলোতে মনে হতো, আমরা সবাই একদল বিজ্ঞানী, যারা ক্লাসের প্রতিটি নিয়ম ভাঙার নতুন নতুন উপায় আবিষ্কার করতাম!”
“বন্ধু মানে সেই মানুষ, যে হোমওয়ার্কের কপি করতে এসে নিজেকে ‘গণিতের গুরু’ হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টা করত।”
“স্কুলের সেই বন্ধুর কথা মনে পড়ে, যে পরীক্ষার আগে বলত ‘আমি কিছুই পড়িনি,’ অথচ পরে সে-ই সবার চেয়ে বেশি নম্বর পেত!”
“স্কুলের বন্ধুদের একটা কাজ ছিল—টিফিন চুরি করা আর পরে মুখে বলত, ‘তোর জন্যই খেয়েছি!’”
“স্কুলে থাকা বন্ধুরা সেই মহান আত্মা, যারা ক্লাসে প্রশ্ন বুঝতে না পারলেও, ক্লাসের বাইরে দারুণ বক্তা হয়ে উঠত!”
“স্কুলের বন্ধুরা হলো সেই মানুষ, যারা ক্লাস টেস্টে নিজেই ফাঁকা খাতা জমা দিয়ে বলত, ‘তুই কি পুরো প্রশ্নটাই লিখেছিস’”
“স্কুলের বন্ধুরা সবসময় বলে, ‘দোস্ত, একটাই কপি করব,’ কিন্তু শেষে পুরো ক্লাসের কাছে নোট পাস করে দেয়।”
“স্কুলের সেই বন্ধুদের কথা মনে পড়ে, যারা খেলাধুলায় সেরা ছিল, কিন্তু ক্লাসে বই পড়া শুরু করলেই ঘুমিয়ে পড়ত।”
“বন্ধু মানে সেই মানুষ, যার কাছে তুমি কোনো নোটস চাইলে, সে বলবে, ‘আমার নিজেরটাই এখনও নেই!’”
“স্কুলের দিনগুলোতে বন্ধুরা শুধু বন্ধু নয়, বরং বিনোদনের ভাণ্ডার ছিল। তাদের হাস্যকর দুষ্টুমি মনে পড়লে আজও হাসি থামানো যায় না।”
“স্কুলের বন্ধুদের আরেকটা বিশেষ গুণ ছিল—নিজের নাম ভুলতে পারে, কিন্তু কে টিফিনে কী এনেছে সেটা ঠিক মনে রাখে!”
এসব ফানি স্ট্যাটাস স্কুলের সেই মজার দিনগুলো এবং বন্ধুদের দুষ্টুমি আর হাস্যকর স্মৃতিকে জীবন্ত করে তুলবে।